আগর গবেষণায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং Aquilaria চাষ ও রেজিনের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম Centre of Excellence হিসেবে উন্নীত করা।
বাংলাদেশের বন-নির্ভর জনগোষ্ঠী এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে—আগারউড উৎপাদনের এমন একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রসার করা, যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত, অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই।
বৈজ্ঞানিক সূক্ষ্মতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, পরিবেশগত সুরক্ষা, স্বচ্ছতা এবং নিরবচ্ছিন্ন উদ্ভাবন—এই পাঁচটি মূলমন্ত্রই আমাদের গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের প্রধান ভিত্তি।
আগর হলো Aquilaria অথবা Gyrinops গণভুক্ত বৃক্ষের অভ্যন্তরে প্রাপ্ত কালো রঙের এক প্রকার সুগন্ধি রেজিন সমৃদ্ধ কাঠ এবং এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে প্রাপ্ত নন-টিম্বার শ্রেণির সবচেয়ে দামী দ্রব্য। নানাবিধ গুণাবলী ও বহুমুখী ব্যবহারই মূলত আগর কাঠ ও তেলের বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাহিদা এবং হাজার বছর ধরে এর অপরিবর্তনীয় অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও মূল্যায়নের অন্যতম কারণ। প্রাচীনকাল থেকে এটি আয়ুর্বেদিক, ইউনানী, ভারতীয়, তিব্বতীয় ও প্রাগৈতিহাসিক চাইনিজ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে ঔষধ ও প্রসাধনী শিল্পে আগর ব্যাপক হারে ব্যবহার হচ্ছে।
প্রাকৃতিকভাবে আগর সঞ্চয়ন অতিদীর্ঘ ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। রাসায়নিক, বায়োলজিক্যাল, বায়োকেমিক্যাল বা যান্ত্রিক আঘাতের ফলে সৃষ্ট উদ্দীপনায় আগর রেজিন হয়। বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম পদ্ধতিতে অধিক আগর উৎপাদনের নিমিত্তে বহুমুখী প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশের জলবায়ু এবং ভূ-প্রকৃতি আগর চাষের জন্য খুবই উপযোগী। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, বাংলাদেশে প্রায় ৫-৬ কোটি আগর গাছ ইতোমধ্যে আছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অধিক মূল্য ও বহুমুখী চাহিদার প্রেক্ষিতে "সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নতমানের আগর রেজিন সঞ্চয়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন" শীর্ষক প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নতমানের আগর রেজিন সঞ্চয়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রকল্পের গবেষণা দল।
প্রকল্প পরিচালক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
সহকারী প্রকল্প পরিচালক
ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর
পরামর্শক, রসায়ন
পরামর্শক
পরামর্শক
পরামর্শক
পরামর্শক
রিসার্চ ফেলো
রিসার্চ ফেলো
রিসার্চ ফেলো
রিসার্চ ফেলো
আগর গাছের বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য এবং রেজিন গঠনের জৈবিক প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করে।
আগর হতে তেল নিষ্কাশন প্রক্রিয়া উন্নতকরণ এবং ইনডিউসার প্রস্তুতকরণ নিয়ে কাজ করে।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আগরের রাসায়নিক উপাদান ও গুণগত মান বিশ্লেষণ করে।
ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া-ভিত্তিক ইনোকুলেশন এবং রেজিন উৎপাদনে মাইক্রোবের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করে।
জিন এক্সপ্রেশন ও বায়োকেমিক্যাল পথসমূহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে আগর রেজিন গঠনের মলিকিউলার ভিত্তি নির্ধারণ করে।
উচ্চ রেজিন উৎপাদনক্ষম আগর গাছ উন্নয়নে জেনেটিক পরিবর্তন ও বায়োটেকনোলজি প্রয়োগ করে।
পোকামাকড়-ভিত্তিক ইনোকুলেশন এবং তাদের প্রভাব আগর রেজিন উৎপাদনে কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে গবেষণা করে।